সয়াবিন তেলের আসল চেহারা ও সরিষার তেলের উপকারিতা

গরুর ঘানির সরিষার তেল

বর্তমান সময়ের আমাদের সমস্যা কি??

World Health Organization রিপোর্ট মতে বর্তমান সময়ে প্রায় সব বয়সী ২৬৪ মিলিয়ন মানুষ ডিপ্রেশন বা কমন মেন্টাল ডিসঅর্ডার ভুগছে। এই ডিপ্রেশন দিন দিন মানুষ কে অক্ষমতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে শুধু তাই না এরই প্রভাবে দিন দিন মানুষ সুইসাইড তথা আত্মহত্যার দিকে ধাবিত হচ্ছে। আপনি কি জানে যে এই ডিপ্রেশন মানুষ মধ্যে কিভাবে প্রবেশ করছে? মানুশ অনেক কারনে বা কোন এক বিশেষ কারনে এই ডিপ্রেশনে ভোগে।  আমরা আজকে আপনাকে জানাবো এমনি একটি বিশেষ কারন যার কারাওনে আমরা ক্ষতির মুখে পড়ছি আর তা হচ্ছে জিএমএফ যার ফুল ফর্ম মানে হচ্ছেঃ “জেনেটিক্যাল মডিফাইড (জি.এম.) ফুড”ঃ জিএমও হচ্ছে জেনেটিক্যালী মডিফাইড অর্গানিজম, আবার কখনো কখনো জিইও অর্থাৎ জেনেটিক্যালী ইঞ্জিনিয়ার্ড অর্গানিজম ও বলা হয়। সংক্ষেপে জিএমও বা জিই ব্যবহার হয়ে থাকে। কৃত্রিমভাবে কোন জেনেটিক ইনফরমেশন, অর্গানিজমে ঢুকিয়ে দিয়েই জিএমও তৈরী করা হয় অর্থাৎ কোন একটি অর্গানিজমে, কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্যের নিউক্লিওটাইড সিকুয়েন্স অর্থাৎ ফরেন ডিএনএ পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে ঢুকিয়ে, অর্গানিজমকে জেনেটিক্যালি পরিবর্তন করে কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন করা হলে ঐ অর্গানিজমকে জিএমও বলে।

জিএমও আমাদের দেহে প্রতিনিয়ত জায়গা করে দিচ্ছে বিভন্ন রোগ ব্যাধিকে বাসা বাঁধতে আর কমিয়ে দিচ্ছে রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা আমরা ভুগছি ক্যান্সার ডায়াবেটিস সহ বড় বড় জটিল রোগে. GM Food এর মদ্ধে অন্যতম ফুড হচ্ছে সয়াবিন তেল। আমরা আজকে শুধু এইটা নিয়ে কথা বলব।

আসুন জেনে নেই কিভাবে সয়াবিন তেল আমাদের মাঝে আভির্ভাব হলঃ

৮০ দশক পর্যন্ত বাংলাদেশে মুল ভোজ্য তেল ছিল সরিষার তেল। তারপর কম দামে রেশনে দেয়া শুরু হল পাম ওয়েল। কোথায় থেকে যেন সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে গেলঃ “পাম ওয়েল স্বাস্থ্যের জন্য খুব খারাপ”। তখনও বাজারে সয়াবিন তেল পাওয়া যেত, কিন্তু খুব একটা বিক্রি হত না। এর পর রেশনে দেয়া শুরু হল সয়াবিন তেল। তারপর যেন কীভাবে সরিষার তেল খাওয়া বন্ধ হয়ে গেলো, রান্না ঘরের শেলফ, দখল করলো সয়াবিন তেল। এখন চলছে সয়াবিন তেলের দুর্দান্ত দাপট। জাহাজ ভর্তি করে ক্ষতিকর GMO সয়াবিন তেল আমদানী হলো। সরিষার তেল আমাদের খাদ্য তালিকা থেকে উধাও হয়ে গেলো, আর উধাও হল এই শিল্পের সাথে জড়িত লক্ষ লক্ষ মানুষ।

এই উধাও হয়ে যাওয়ার সময়ের সাথে, আমেরিকার তিনটি গবেষণার যোগসূত্র আছে। গবেষনা গুলো হয়েছিল পর পর ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত। এই গবেষণায় দেখা হয়েছিল ইদুরের উপর সরিষার তেলের অন্যতম উপাদান ইউরেসিক অ্যাসিডের ক্ষতিকর প্রভাব আছে কিনা? ফলাফল আসলো হ্যাঁ আছে। এই গবেষণার ফলাফলের পর আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, সরিষার তেল মানুষের খাবারের উপযোগী নয় বলে, ঘোষণা করে।

গবেষকরা অসৎ উদ্দেশ্যে ইঁদুরের উপর সরিষার তেলের প্রভাব নিয়ে গবেষণাগুলো করে। কারণ ইদুর কোন উদ্ভিতজাত তেল হজম করতে পারেনা, সেই ভোজ্য তেলে ইউরেসিক অ্যাসিড থাকুক আর না থাকুক। সয়াবিন তেল দিয়ে এই গবেষণা করলেও একই ফলাফল পাওয়া যেত।

পরবর্তীতে মানুষের উপর, ইউরেসিক অ্যাসিডের প্রভাব নিয়ে গবেষণায়, কোন ক্ষতিকর প্রভাব দেখা যায়নি। কিন্তু এখনো আমেরিকায় বিক্রীত সরিষার তেলের গায়ে লেখা থাকে “ফর এক্সটারনাল ইউজ অনলি”। কেন? কারণ ভারত ও বাংলাদেশে সরিষার তেল খাওয়া বিপুল জনগোষ্ঠীর বাজার, পশ্চিমের সয়াবিন Seller der হাত থেকে যেন ছুটে না যায়। অতিরিক্ত সয়াবিন তেল সেবনে ক্যানসার, হার্টের রোগ ও ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

সরিষার তেলেরউপকারিতা:

সরিষার তেলে কোন স্বাস্থ্য ঝুকি নেই; এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত। এছাড়াও সরিষার তেলে রয়েছে হাজারো উপকারিতা। সয়াবিনের থেকে সরিষার তেলের রান্না অনেক মজাদার সুস্বাদু।

প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন

সরিষার তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই থাকে। এই তেল ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে। তাই এটি ত্বকের ক্যানসারও প্রতিরোধ করতে পারে। ভিটামিন ই বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দূর করতেও সাহায্য করে। তাই সানস্ক্রিন লোশনের মতোই ব্যবহার করতে পারেন এই সরিষার তেল। তবে এই তেল যেহেতু ঘন, তাই ত্বকে লাগানোর পর ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে, যেন অতিরিক্ত তেল লেগে না থাকে। অন্যথায় অতিরিক্ত ধুলাবালু জমা হয়ে ত্বকের ভালোর চেয়ে খারাপই হতে পারে বেশি।

সরিষার তেলকে বলা যেতে পারে প্রাকৃতিক লোশন। অনেকে সারাবছর সরিষার তেল গায়ে মাখেন। গায়ের তাপমাত্রা কমাতে সরিষার তেল বেশ কার্যকরী। সরিষার তেলে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং ছত্রাক প্রতিরোধক উপাদান। যা রক্ষা করে ছোঁয়াচে জাতীয় রোগ থেকে ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে থাকে।

রুপচর্চাতে সরিষার তেলের জুড়ি নেই। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, ত্বকের কালো ছোপ ছোপ দাগ দূরীকরণে সরিষার তেলের কার্যকরিতা অপরিসীম। তবে একটানা বেশি দিন ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। রমণীরা দীর্ঘ কালো চুল পেতে চাইলে নিয়মিত ব্যবহার করুন খাটি সরিষার তেল।

চুল পড়া বন্ধ করে

চুল পড়া খুবই সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অনেক সময় চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। চুলে নিয়মিত সরিষার তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে। ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সরিষার তেলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম মিনারেল এবং ভিটামিন এ ডি ই ও কে। এ ছাড়া থাকে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম, যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।

রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে নিয়মিত মাথার তালুতে সরিষার তেল মালিশ করুন। ফলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ঠিকভাবে হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে। এ ছাড়া চুল সুন্দর, বড়, মজবুত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করতে সরিষার তেল অত্যন্ত উপকারী। চুল বড় হতে সাহায্য করে সরিষার তেলে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা চুল বড় হতে সাহায্য করে।

সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়।

চুলে কীভাবে সরিষার তেল ব্যবহার করবেন-

১. দই ও সরিষার তেলের মিশ্রণ টকদইয়ের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে লাগান। তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার বা দু’বার প্রায় ব্যবহার করতে পারেন।

২. সরিষার তেল ও অ্যালোভেরার মিশ্রণ একটি পাত্রে সরিষার তেল ও অ্যালোভেরা মেশান। মাথার তালুতে ভালোভাবে মিশিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তার পর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩. লেবুর রস ও সরিষার তেলের মিশ্রণ একটি বাটিতে সরিষার তেল, লেবুর রস ও ধনে গুঁড়ো নিয়ে ভালোভাবে মেশান। মাস্ক হিসাবে চুলে নিয়মিত মাখুন। আধাঘণ্টা রেখে মৃদু শ্যাম্পু সহযোগে ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে চুল কন্ডিশন হবে, মজবুত হবে এবং খুশকি দূর হয়ে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে

সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যানসারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে।

ঠোঁটফাটা রোধ করে

ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে। শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল ভালো কাজ করে। লিপবাম বা চ্যাপস্টিক—এগুলোর পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।

কার্ডিওভাসকুলার উপকারিতা

সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ বলে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে।

সতর্কতা

সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে হবে যে আপনার সরিষার তেল খাঁটি কি না? নকল বা ভেজাল সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সরিষার তেল কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু যেকোনো সরিষার তেল কি আমাদের জন্য উপকার বয়ে আনবে? মোটেও তা নয়। দোকানের খোলা সরিষার তেলে ভেজাল মিশ্রিত থাকে, যা ব্যবহার করলে নানা রকম অসুখ–বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খাঁটি সরিষার কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।

আমাদের দেশে প্রচলিত কয়েক ভাবে সরিষার তেল পাওয়া যায় যেমনঃ

  1. মেশিনে ভাঙ্গানো সরিষার তেল বা মিলের তেল।
  2. কাঠের ঘানিতে মেশিন দিয়ে ভাঙ্গানো তেল।
  3. গরুর ঘানির তেল।

আসুন এইবার জানা যাক এগুলোর পার্থক্য

মেশিনে ভাঙ্গানো সরিষার তেল বা মিলের তেলঃ

যেটা দামে কম। বাসার পাশের দোকান থেকে বিভিন্ন প্রচলিত ব্রান্ডের টা কিনে থাকি বা মিল থেকে নিয়ে থাকি। এগুলোর রঙ কালচে টাইপের হয়। আর এইটা সাধারণত সরিষাকে অনেক বার প্রেস বের করা হয় যার ফলে এর তাপমাত্রা ৭০০ বা তারও বেশি ওয়াটের উপরে চলে যায়।

তখন এই তেল তার পর্যাপ্ত গুনাগুন বহন করতে পারে না তবে তা সয়াবিনের থেকে অনেক ভাল।

এর ঝাজ হয় প্রচুর। আমরা অনেকেই মনে করি ঝাঁজ হবে যত বেশি তেলটি খাঁটি হবে তত বেশি। আসলে এইটা সম্পূর্ণ ভুল।

কাঠের ঘানিতে মেশিন দিয়ে ভাঙ্গানো তেলঃ

মিলে ভাঙ্গানো তেলের থেকে এর রঙ কিছুটা মারজেনিও। আর এর তাপমাত্রা ও কিছু টা কম থাকে কিন্তু অনেক বেশি চাপ দিয়ার ফলে এর রঙও অনেক সময় দেখতে মিলের তেলের মত দেখায়। মিলের তেলের তুলনায় কিছু টা কম তবে এরও ঝাজ হয়।

গরুর ঘানির তেলঃ

ভিডিও তে দেখতে পাচ্ছেন গরু ঘুরছে আর ধিরে ধিরে সরিষা ভাঙছে আর তা থেকে বের হচ্ছে সরিষার তেল। এই ঘানিতে ভাঙ্গানো তেলের মধ্যে থাকা উচিত এমন সকল গুনাগুন বহন করে।

এর তাপ মাত্রা একে বারি কম আপনি চাইলে সরিষা ভাংগানর সময় হাতে নিয়ে ধরতে পারবেন।

ডক্টর জাহাঙ্গীর করবির সাহেবও তার ভিডিও একি কথা বলেছেন। এর রঙ হলুদ অনেক টা মধুর মত। কোন প্রকার অত্যাচার ছাড়া তৈরি হওয়াতে এর ঘ্রাণ মহনীয়। আর্টিফিশিয়াল কোন রঙ বা ঝাজ নেই। নাকের কাছে নিলে আপনি এর ঘ্রান নিতে পারবেন।

আমরা আপানাদের জন্য ভাল মানের সরিষা দিয়ে গরুর ঘানিতে ভাঙ্গানো ১০০% খাঁটি তেল সরবারহ করে থাকি।

তাই আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে কল করুন এখনিঃ ০১৭০৬৩৩৩১৫৩।

ফেসবুকে আমরাঃ facebook.com/taamaam

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »

Main Menu